=বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম,,    আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ ,,,,                                                                      

   সুপ্রিয় দর্শক মন্ডলী,,, আশা করি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অশেষ মেহেরবানি ও দয়ায়,আপনারা সবাই ভাল আছেন।                                                                                      

    (True Search Bangla) ট্রু সার্চ  বাংলা,,,,,,,, ইউটিউব চ্যানেলের পক্ষ থেকে আপমিাদেরকে জানাই অফুরন্ত ভালোবাসা।                                                                           

 প্রিয় দর্শক,,,   মানুষের দেহ চলমান ,,সুস্থতার জন্য নড়াচড়া,, হাঁটাচলা ,,ও উঠা বসা দরকার।  পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে মসজিদে যাওয়া আসা করতে হয় ,,নামাজে ওঠা বসা করতে হয় ,,এসবই উপকারী । পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের জন্য পাঁচটি সময় রয়েছে।  এছাড়াও সুন্নত ও নফল নামাজের সময় রয়েছে।  এ সময় গুলোর চিকিৎসাবিজ্ঞান গত উপকারিতা রয়েছে।     

                                                                                                                                     

 প্রিয় দর্শক,,চলুন  পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ও   সালাতের জন্য পাঁচটি সমযের উপকারিতা সম্পর্কে  জানা যাক।                                                                                                                   

    ফজরের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান,,,,,                                                                               ফজরের সময় নামাজ আদায় করলে,, সারারাত ঘুমের পর হালকা অনুশীলন হয়ে যায়।  এসময় পাকস্থলী খালি থাকে।  তাই কঠিন অনুশীলন শরীরের জন্য ক্ষতিকর।  এ সময় নামাজ আদায় করলে,, নামাজি অবসাদগ্রস্ততা ও অচলতা থেকে মুক্তি পায়।                         মস্তিষ্ক ফ্রি হয়ে পুনরায় চিন্তা করার জন্য প্রস্তুত হয় ।                                                     

      এসময় নামাজি হেটে মসজিদে যায়,, তার আত্মা পরিচ্ছন্ন,,ও প্রশান্ত পরিবেশ থেকে সুক্ষ অনুভুতি লাভ করে।  এ সবি উপকারী।                                                                                    এ সময় দেহ পরিষ্কার হয়,, দাঁত পরিষ্কার,, অঙ্গ ধোয়া ও পেশাব পায়খানা থেকে,, পবিত্রতা অর্জন হয়ে যায়।  এতে জীবাণুর আক্রমণ থেকে বাচা যায়।  ডাক্তার মাহমুদ চৌধুরী বলেন,, অন্ত রেগ ও আলছার থেকেও বাঁচা যায়।                                                                                রোমের পাদ্রী হিলার বলেন,,, ভোরে নামাজের জন্য ওঠা ,,স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাশ্চর্য্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।                                                                                                                    

                                                                                                                                    

 যোহরের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান,,,,                                                                                      মানুষ জীবিকার জন্য দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ করে । এতে ধুলা ময়লা ,বিষাক্ত কেমিক্যাল শরীরে লাগে।  জীবাণু আক্রমণ করে।  ওযু করলে এসব দূর হয়।  এবং ক্লান্তি দূর হয়ে, দেহ পুনর্জীবন লাভ করে । গরমের কারণে সূর্য ঢলে পড়ার সময়,, বিষাক্ত গ্যাস বের হয়।  এ গ্যাস মানবদেহে প্রভাব ফেলে । মস্তিষ্ক পাগলামি সহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে ।                      

       এসময় অজু করে নামাজ আদায় করলে ..এ গ্যাস প্রভাব ফেলতে পারে না ।             

        ফলে দেহ বিভিন্ন রোগ থেকে বেঁচে যায়।  এসময় আল্লাহ নামাজ ফরজ করে আমাদের জন্য অনুগ্রহ করেছেন।                                                                                                                                

                                                                                                                                    

     আসরের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান,,,,                                                                              পৃথিবী দুই ধরনের গতিতে চলে,, লম্ব ও  বৃত্তিও।  যখন সূর্য ঢলতে থাকে ,,তখন পৃথিবীর ঘূর্ণন কমতে থাকে।  এমনকি আসরের সময় একেবারেই কমে যায়।  এসময় রাতের অনুভূতি প্রবল হতে থাকে।  প্রকৃতির মধ্যে স্থবিরতা এবং অবসাদগ্রস্ততা প্রদর্শিত হতে থাকে।  আসরের নামাজের সময়,,, অবচেতন অনুভূতি শুরু হয়।  এ সময় নামাজ আদায় করলে,, অতিরিক্ত অবসাদগ্রস্ততা,, অবচেতন অনুভূতির আক্রমণ থেকে বাচা যায়।  মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমে,, নূরানী রষ্ণী নামাজীকে প্রশান্তি দান করে।                                                                                   

                                                                                                                                  

  মাগরিবের সময় ও চিকিৎসাবিজ্ঞান,,,,                                                                         সারাদিন মানুষ জীবিকার জন্য শ্রম ও কষ্টের মধ্যে কাটায়। মাগরিবের  সময় অজু করে নামাজ আদায়ের ফলে,,, আত্মিক প্রশান্তি লাভ হয়।  এ সময় নামাজ আদাযয়ে পরিবারের বাচ্চারাও অংশগ্রহণ করতে পারে।  এতে বাচ্চারা অনুগত ও পুণ্যশীল হয়।                            এ সময় পরিবারের মধ্যে আনন্দের রেশ বয়ে যায়।                                                                  

                                                                                                                                         

  এশার সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান,,,,,                                                                                            মানুষ কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে রাতে খাবার খায়।  এসময় খেয়ে শুয়ে পড়লে,, বিভিন্ন রোগ হতে পারে।  স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন ,,অল্প ব্যায়াম করে বিছানায় গেলে কোন সমস্যা হবেনা।  এশার নামাজ ব্যায়ামের চেয়েও বেশি উপযোগী।  এই নামায আদায়ে শান্তি পাওয়া যায়।  খাদ্য হজম হয়।  এবং অস্থিরতা দূর হয় ।                                                     

                                                                                                                               

      তাহাজ্জুদের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান,,,,                                                                                                 এ সময় নামাজ আদায় করা ,,,অস্বস্তি,, নিদ্রাহীনতা ,,হার্ড ও স্নায়ুর সংকোচন ও বন্ধন,, এবং মাথার বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা।                                                                                                           ডাক্তার মাহমুদ চৌধুরী বলেন,,,, যারা দূরের জিনিস দেখে না,, এ সময় নামাজ আদায় করা তাদের চিকিৎসা।  এছাড়াও এ সময় নামাজ আদায় করলে,, বুদ্ধি ,আনন্দ এবং অসাধারণ শক্তির সৃষ্টি হয় ,,যা নামাজে কি সারাদিন উৎফুল্ল রাখে।                                                            

                                                                                                                                             

  তো প্রিয়  দর্শক যারা ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখেছেন তারা কমেন্টে জানাবেন ,,  ভিডিওটি কেমন  লেগেছে??

    ইসলাম সম্পর্কে আরো জানতে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের চ্যানেলটি।                                                                                                                                  

    আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের প্রত্যেককেই যেন সুস্থ রাখেন,, ভাল রাখেন। নিরাপদে রাখেন। এই কামনাই আজকের ভিডিওটির এখানেই সমাপ্তি। আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু