আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
সুপ্রিয় দর্শক মন্ডলী আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন।
প্রিয় দর্শক ,,
কিছু জিনিস আছে যা খুব কম আলোচনা করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়েই নিজের ইচ্ছামত চিহ্নিত হয়। এ বিষয়ে লজ্জা না করে সঠিকটা জানাই আমাদের সকলের দায়িত্ব।
দর্শক,, শরীরের অবাঞ্ছিত লোম কোনোভাবেই বড় করে রাখা জায়েজ নেই। নারী ও পুরুষ অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করার ব্যাপারে কিছু ভুল করে থাকে । কেউ তাদের ভুল ধরিয়ে দেয় না । আর তারা কারো কাছে জিজ্ঞাসা করে না । তাই এই ভিডিওটির মাধ্যমে সেই ভুলগুলি তুলে ধরব এবং তার সাথে সঠিক পদ্ধতি তুলে ধরব ইনশাল্লাহ। জাতেকরে সকলেই সহজেই জেনে নিতে পারি, আর ভবিষ্যতে এই ভুল না করি।
এক নাম্বার ভুলঃ
40 দিনের মধ্যে নাকাটা । অবাঞ্ছিত লোম অর্থাৎ কোনো কারণ ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবেই 40 দিন পর কাটা মাকরূহ তাহরীমী, বা গোনাহের কাজ । এই মর্মে সাহাবী আনাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন,গোফ ছোট রাখা ,নখ কাটা বগলের লোম উপরিয়ে ফেলা, এবং নাভির নিচের লোম চেছে ফেলার জন্য আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল ।যেন, আমরা তা করতে 40 দিনের অধিক দেরি না করি। হাদিসের মধ্যে কয়েকটি জিনিস স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে গোফ ছোট রাখা ,নখ কাটা বগলের লোম উপরিয়ে ফেলা, এবং নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা । এগুলো কোন কারণ ছাড়া ৪০ দিনের বেশি রাখা গুনাহের কাজ। এসব সম্পর্কে অনেকেই খবর রাখেনা ফলে গুনাহগার হয়। তাই প্রত্যেক কে একথা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন 40 দিনের বেশি না হয়। তবে কেউ যদি প্রত্যেক সপ্তাহে পরিষ্কার করে তাহলে সেটা আরো বেশি ভালো।
দুইনাম্বার সম্পূর্ণ পরিষ্কার না করাঃ
শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করার সময় কাচী দাঁড়া হালকা করে কেটে বাকি কিছু অংশ রাখা যাবেনা । সম্পূর্ণ কেটে ফেলতে হবে। বাছেটে ফেলতে হবে। যাতে অবশিষ্ট না থাকে । পুরুষের জন্য চেছে ফেলা এবং মহিলার জন্য উপড়ে ফেলা মুস্তাহাব । ব্লেড ক্ষুর কাঁচি হেয়ার রিমুভার দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিষ্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয।
কেউ যদি কাচী দ্বারা কেটে ছোট করে রাখে,,তাহলে একদম পুরোপুরি কেটে ছোট করতে হবে। যাতে ধরা না য়ায়। তবে চেছে ফেলা বেশি উত্তম হবে ।
নারীরা ব্লেড বা কাচি ব্যবহার করবে না । ভালো ব্রান্ডের হেয়ার রিমুভার অথবা অন্য কোনো উপায়ে উপড়ে ফেলতে পারে । এমন কিছু ব্যবহার করার পর জ্বালা করে এবং তার ফ্লেভারটাও খুব ভালো না। তাই অনেক নারীর সমস্যা হয়।
তিন নাম্বারঃ
নাভির নিচের অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা চিনতে ভুল করা । নাভির নিচে কোন জায়গা থেকে অবাঞ্ছিত লোম হিসেবে ধরা হয় সেটা অনেকেই জানেনা । পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায়ই নাভি থেকে চার আঙ্গুল পরিমাণ নিচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডানে-বামের লোম, গোপনাঙ্গের চারপাশের লোম, এভাবে একদম নিচে প্রচন্ড মলদ্বারের আশপাশে লোম অবাঞ্ছিত লোমে ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করবেন এবং কমেন্ট এ মতামত জানাবেন। আর কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেননা। আজ এই পর্যন্তই সকলে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।
0 Comments